অস্বাভাবিকভাবে দাম বাড়ার অভিযোগে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত দুই কোম্পানির শেয়ার লেনদেন স্থগিত করা হয়েছে। কোম্পানি দুটি হলো ইস্টার্ন হাউজিং লিমিটেড ও ফাইন ফুডস লিমিটেড।
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) কর্তৃপক্ষ গতকাল মঙ্গলবার লেনদেন চলাকালীন কোম্পানি দুটির লেনদেন স্থগিত করে।
এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে ডিএসই জানিয়েছে, কোম্পানি দুটির দাম বাড়ার কারণ তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। তদন্তের ফলাফল হাতে না পাওয়া পর্যন্ত লেনদেন বন্ধ থাকবে।
ডিএসইর এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ইস্টার্ন হাউজিংয়ের শেয়ারের অস্বাভাবিক দাম বাড়ার কারণ জানতে কোম্পানির কাছে চিঠি দিয়েছিল। এর জবাবে কোম্পানির পক্ষ থেকে জানানো হয়, দাম বাড়ার মতো কোনো মূল্য সংবেদনশীল তথ্য তাদের কাছে নেই। এরপরও দাম বাড়ায় গত সোমবার বেলা ১১টা ১২ মিনিটের সময় কোম্পানিটির শেয়ার লেনদেন ১৫ মিনিটের জন্য বন্ধ করে রাখা হয়। সাধারণ বিনিয়োগকারীদের সতর্ক করার জন্যই এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। তারপরও কোম্পানির শেয়ারের দাম বাড়ায় বিনিয়োগকারীদের মঙ্গলের কথা মাথা রেখেই ইস্টার্ন হাউজিংয়ের শেয়ার লেনদেন গতকাল বেলা ১১টা ১৭ মিনিট থেকে আবারও বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
প্রায় একই রকম সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে ফাইন ফুডসের ক্ষেত্রে। এ কোম্পানিটির পক্ষ থেকেও দাম বাড়ার পেছনে কোনো অপ্রকাশিত মূল্য সংবেদনশীল তথ্য না থাকার কথা জানানো হয় ডিএসইকে। তারপরও শেয়ারটির দাম বাড়ছে। এ কারণে গতকাল বেলা ১১টা ৪৯ মিনিট থেকে ১৫ মিনিটের জন্য শেয়ার লেনদেন বন্ধ রাখা হয়। এরপরও দাম বাড়তে থাকলে দুপুর ১২টা ২৮ মিনিটে ফাইন ফুডসের শেয়ার লেনদেন আবারও স্থগিত করার সিদ্ধান্ত নেয় ডিএসই।
প্রায় এক মাস ধরে কোম্পানি দুটির শেয়ারের দাম টানা বেড়ে চলেছে। এর মধ্যে গত এক মাসে ইস্টার্ন হাউজিংয়ের শেয়ারের দাম বেড়েছে ৭২০ টাকা বা ১০৩ শতাংশ।
পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (এসইসি) অবশ্য ইতিমধ্যেই ইস্টার্ন হাউজিংয়ের শেয়ারের দাম বাড়ার কারণ তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে ডিএসইকে। একই সঙ্গে ৩১ আগস্টের মধ্যে তদন্ত সম্পন্ন করে এসইসির কাছে প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়।
অন্যদিকে গত এক মাসে ফাইন ফুডসের শেয়ারের দাম ৫৫ থেকে বেড়ে ৯০ টাকা হয়েছে। এ সময় শেয়ারটির দাম বেড়েছে ৬৪ শতাংশের মতো। গতকাল লেনদেন শুরুর কিছু সময়ের মধ্যে শেয়ারটির দাম ছয় টাকা বেড়ে যায়।
ডিএসইর পরিসংখ্যানে দেখা যায়, গত ১০ বছরে ইস্টার্ন হাউজিংয়ের শেয়ারের বিপরীতে সর্বোচ্চ আয় (ইপিএস) ছিল গত বছর, যার পরিমাণ মাত্র ১৮ টাকা। আর কোম্পানিটি এ যাবৎকালে সর্বোচ্চ ১৫ শতাংশ হারে লভ্যাংশ দিয়েছে।
আর ১০ বছরে ফাইন ফুডস লভ্যাংশ দিয়েছে মাত্র চারবার। গত বছর কোম্পানিটি ১৫ শতাংশ হারে বোনাস দিয়েছে। বেশ কিছুদিন ধরে এ কোম্পানিটির শেয়ারের দাম বাড়ার বিষয়ে বাজারে নানা গুজব শোনা যাচ্ছে। তবে কোম্পানির পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত আনুষ্ঠানিকভাবে কিছুই জানানো হয়নি।
Shah Kabir, Financial Stock Analyst, DSE/ CSE/ LSE/ NYSE. Email: s.anaym@yahoo.com
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) কর্তৃপক্ষ গতকাল মঙ্গলবার লেনদেন চলাকালীন কোম্পানি দুটির লেনদেন স্থগিত করে।
এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে ডিএসই জানিয়েছে, কোম্পানি দুটির দাম বাড়ার কারণ তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। তদন্তের ফলাফল হাতে না পাওয়া পর্যন্ত লেনদেন বন্ধ থাকবে।
ডিএসইর এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ইস্টার্ন হাউজিংয়ের শেয়ারের অস্বাভাবিক দাম বাড়ার কারণ জানতে কোম্পানির কাছে চিঠি দিয়েছিল। এর জবাবে কোম্পানির পক্ষ থেকে জানানো হয়, দাম বাড়ার মতো কোনো মূল্য সংবেদনশীল তথ্য তাদের কাছে নেই। এরপরও দাম বাড়ায় গত সোমবার বেলা ১১টা ১২ মিনিটের সময় কোম্পানিটির শেয়ার লেনদেন ১৫ মিনিটের জন্য বন্ধ করে রাখা হয়। সাধারণ বিনিয়োগকারীদের সতর্ক করার জন্যই এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। তারপরও কোম্পানির শেয়ারের দাম বাড়ায় বিনিয়োগকারীদের মঙ্গলের কথা মাথা রেখেই ইস্টার্ন হাউজিংয়ের শেয়ার লেনদেন গতকাল বেলা ১১টা ১৭ মিনিট থেকে আবারও বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
প্রায় একই রকম সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে ফাইন ফুডসের ক্ষেত্রে। এ কোম্পানিটির পক্ষ থেকেও দাম বাড়ার পেছনে কোনো অপ্রকাশিত মূল্য সংবেদনশীল তথ্য না থাকার কথা জানানো হয় ডিএসইকে। তারপরও শেয়ারটির দাম বাড়ছে। এ কারণে গতকাল বেলা ১১টা ৪৯ মিনিট থেকে ১৫ মিনিটের জন্য শেয়ার লেনদেন বন্ধ রাখা হয়। এরপরও দাম বাড়তে থাকলে দুপুর ১২টা ২৮ মিনিটে ফাইন ফুডসের শেয়ার লেনদেন আবারও স্থগিত করার সিদ্ধান্ত নেয় ডিএসই।
প্রায় এক মাস ধরে কোম্পানি দুটির শেয়ারের দাম টানা বেড়ে চলেছে। এর মধ্যে গত এক মাসে ইস্টার্ন হাউজিংয়ের শেয়ারের দাম বেড়েছে ৭২০ টাকা বা ১০৩ শতাংশ।
পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (এসইসি) অবশ্য ইতিমধ্যেই ইস্টার্ন হাউজিংয়ের শেয়ারের দাম বাড়ার কারণ তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে ডিএসইকে। একই সঙ্গে ৩১ আগস্টের মধ্যে তদন্ত সম্পন্ন করে এসইসির কাছে প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়।
অন্যদিকে গত এক মাসে ফাইন ফুডসের শেয়ারের দাম ৫৫ থেকে বেড়ে ৯০ টাকা হয়েছে। এ সময় শেয়ারটির দাম বেড়েছে ৬৪ শতাংশের মতো। গতকাল লেনদেন শুরুর কিছু সময়ের মধ্যে শেয়ারটির দাম ছয় টাকা বেড়ে যায়।
ডিএসইর পরিসংখ্যানে দেখা যায়, গত ১০ বছরে ইস্টার্ন হাউজিংয়ের শেয়ারের বিপরীতে সর্বোচ্চ আয় (ইপিএস) ছিল গত বছর, যার পরিমাণ মাত্র ১৮ টাকা। আর কোম্পানিটি এ যাবৎকালে সর্বোচ্চ ১৫ শতাংশ হারে লভ্যাংশ দিয়েছে।
আর ১০ বছরে ফাইন ফুডস লভ্যাংশ দিয়েছে মাত্র চারবার। গত বছর কোম্পানিটি ১৫ শতাংশ হারে বোনাস দিয়েছে। বেশ কিছুদিন ধরে এ কোম্পানিটির শেয়ারের দাম বাড়ার বিষয়ে বাজারে নানা গুজব শোনা যাচ্ছে। তবে কোম্পানির পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত আনুষ্ঠানিকভাবে কিছুই জানানো হয়নি।
Shah Kabir, Financial Stock Analyst, DSE/ CSE/ LSE/ NYSE. Email: s.anaym@yahoo.com

0 comments:
Post a Comment