মাত্র ৪ মাসের ব্যবধানে ১০০০ পয়েন্ট বেড়ে প্রথমবারের মতো ৭০০০ পয়েন্টের মাইলফলক অতিক্রম করেছে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) সাধারণ সূচক। এ সূচক আগের দিনের চেয়ে ৬৭.৫৮ পয়েন্ট বেড়ে ৭০২৬.২৭ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। মার্জিন ঋণের হিসাব পদ্ধতি নিয়ে সিকিউরিটিজ এ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (এসইসি) নির্দেশনার বিরুদ্ধে হাইকোর্টে রিটের খবরে সোমবার শেয়ারবাজারে অধিকাংশ কোম্পানির শেয়ারের দর বেড়ে যায়। মূলত এ কারণেই সাধারণ সূচক বেড়ে নতুন রেকর্ড সৃষ্টি করে। পাশাপাশি আগের দিনের তুলনায় প্রায় ৩৪৬ কোটি টাকা বেড়েছে সামগ্রিক লেনদেন।
এদিকে স্বাভাবিক সংশোধন ছাড়াই শেয়ারবাজারের ধারাবাহিক উর্ধমুখী অবস্থানকে বিনিয়োগকারীদের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ বলে মনে করছেন বাজার বিশ্লেষকরা।। বিনিয়োগকারীদের বুঝে-শুনে লেনদেন করার পরামর্শ দিয়ে তাঁরা বলেন, শেয়ারবাজারে সূচক বৃদ্ধি যেমন স্বাভাবিক, তেমনি যে কোন সময় তা সংশোধন হওয়াও স্বাভাবিক। ফলে বাজারের উর্ধমুখী অবস্থা দেখে প্রলুব্ধ হয়ে অতিরিক্ত দামে শেয়ার কেনা উচিত নয়। লোভ বা হুজুগের বশবর্তী হয়ে বিনিয়োগ না করে কোম্পানির সার্বিক অবস্থা এবং দর ওঠা-নামার সাম্প্রতিক গতি-প্রকৃতি দেখে শেয়ার লেনদেনের সিদ্ধানত্ম নেয়া উচিত।
চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) সাবেক প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা এবং বর্তমানে এলায়েন্স ক্যাপিটাল এ্যাসেট ম্যানেজমেন্ট লিমিটেডের চেয়ারম্যান ওয়ালি-উল-মারুফ মতিন জনকণ্ঠকে বলেন, স্বাভাবিক সংশোধন ছাড়াই শেয়ারবাজারের উর্ধমুখী প্রবণতার কারণে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের ভবিষ্যত নিয়ে এক রকম শঙ্কা তৈরি করছে। বাজারে উলেস্নখযোগ্যসংখ্যক শেয়ারের দর অতি মূল্যায়িত। শেয়ারের মূল্য ও আয়ের (পিই) অনুপাত অনেক বেড়ে গেছে।
তিনি বলেন, বাজার নিয়ন্ত্রণে এসইসি ঋণ সঙ্কোচনসহ নানা পদৰেপ নিলেও তার কোন প্রভাব লক্ষ করা যাচ্ছে না। তার ওপর মার্জিন ঋণ সংক্রান্ত নির্দেশনাটি উচ্চ আদালতে স্থগিত হয়ে যাওয়ায় কমিশন এখন অনেকটাই নিষ্কিয় হয়ে পড়বে। এ অবস্থায় তিনি শেয়ার লেনদেনের ৰেত্রে বিনিয়োগকারীদের অতিরিক্ত সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দিয়েছেন।
এদিকে ডিএসই'তে সোমবার মোট ১০ কোটি ৪৮ লাখ ৩১ হাজার ৮২৬টি শেয়ার, মিউচ্যুয়াল ফান্ড ইউনিট এবং কর্পোরেট বন্ড লেনদেন হয়েছে, যার আর্থিক মূল্য ২ হাজার ২৫৬ কোটি ৯৭ লাখ ৬৭ হাজার টাকা। সারা দিনে লেনদেন হওয়া ২৫৩টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ১৫৭টিরই দর বেড়েছে। এর বিপরীতে কমেছে ৯২টির এবং শেয়ারের দর অপরিবর্তিত ছিল ৪টি প্রতিষ্ঠানের।
খাতভিত্তিক বিশ্লেষণে দেখা গেছে, উর্ধমুখী বাজারেও ব্যাংকিং খাতের ১৪টি প্রতিষ্ঠানের মূল্য সংশোধন হয়েছে। এ খাতের ৩০টি কোম্পানির মধ্যে বাকি ১৬টি প্রতিষ্ঠানের দর বেড়েছে এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ১টির। অন্যদিকে আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর দর বৃদ্ধির ধারা অব্যাহত রয়েছে। এ খাতের ২১টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ১৪টির দর বেড়েছে, ৭টির কমেছে। ৪৪টি বীমা কোম্পানির মধ্যে ৪০টিরই দর বেড়েছে। এছাড়া সিমেন্ট, সিরামিক, বিদু্যত ও জ্বালানি, তথ্য-প্রযুক্তি ট্যানারি শিল্প এবং বস্ত্র খাতের অধিকাংশ কোম্পানির দর বেড়েছে। এছাড়া মিউচু্যয়াল ফান্ডসহ অন্যান্য খাতের লেনদেনে মিশ্র অবস্থা বিরাজ করে।
By Shah Kabir, Stock Analyst, DSE, CSE, LSE, NYSE. Email: s.anaym@yahoo.com
এদিকে স্বাভাবিক সংশোধন ছাড়াই শেয়ারবাজারের ধারাবাহিক উর্ধমুখী অবস্থানকে বিনিয়োগকারীদের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ বলে মনে করছেন বাজার বিশ্লেষকরা।। বিনিয়োগকারীদের বুঝে-শুনে লেনদেন করার পরামর্শ দিয়ে তাঁরা বলেন, শেয়ারবাজারে সূচক বৃদ্ধি যেমন স্বাভাবিক, তেমনি যে কোন সময় তা সংশোধন হওয়াও স্বাভাবিক। ফলে বাজারের উর্ধমুখী অবস্থা দেখে প্রলুব্ধ হয়ে অতিরিক্ত দামে শেয়ার কেনা উচিত নয়। লোভ বা হুজুগের বশবর্তী হয়ে বিনিয়োগ না করে কোম্পানির সার্বিক অবস্থা এবং দর ওঠা-নামার সাম্প্রতিক গতি-প্রকৃতি দেখে শেয়ার লেনদেনের সিদ্ধানত্ম নেয়া উচিত।
চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) সাবেক প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা এবং বর্তমানে এলায়েন্স ক্যাপিটাল এ্যাসেট ম্যানেজমেন্ট লিমিটেডের চেয়ারম্যান ওয়ালি-উল-মারুফ মতিন জনকণ্ঠকে বলেন, স্বাভাবিক সংশোধন ছাড়াই শেয়ারবাজারের উর্ধমুখী প্রবণতার কারণে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের ভবিষ্যত নিয়ে এক রকম শঙ্কা তৈরি করছে। বাজারে উলেস্নখযোগ্যসংখ্যক শেয়ারের দর অতি মূল্যায়িত। শেয়ারের মূল্য ও আয়ের (পিই) অনুপাত অনেক বেড়ে গেছে।
তিনি বলেন, বাজার নিয়ন্ত্রণে এসইসি ঋণ সঙ্কোচনসহ নানা পদৰেপ নিলেও তার কোন প্রভাব লক্ষ করা যাচ্ছে না। তার ওপর মার্জিন ঋণ সংক্রান্ত নির্দেশনাটি উচ্চ আদালতে স্থগিত হয়ে যাওয়ায় কমিশন এখন অনেকটাই নিষ্কিয় হয়ে পড়বে। এ অবস্থায় তিনি শেয়ার লেনদেনের ৰেত্রে বিনিয়োগকারীদের অতিরিক্ত সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দিয়েছেন।
এদিকে ডিএসই'তে সোমবার মোট ১০ কোটি ৪৮ লাখ ৩১ হাজার ৮২৬টি শেয়ার, মিউচ্যুয়াল ফান্ড ইউনিট এবং কর্পোরেট বন্ড লেনদেন হয়েছে, যার আর্থিক মূল্য ২ হাজার ২৫৬ কোটি ৯৭ লাখ ৬৭ হাজার টাকা। সারা দিনে লেনদেন হওয়া ২৫৩টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ১৫৭টিরই দর বেড়েছে। এর বিপরীতে কমেছে ৯২টির এবং শেয়ারের দর অপরিবর্তিত ছিল ৪টি প্রতিষ্ঠানের।
খাতভিত্তিক বিশ্লেষণে দেখা গেছে, উর্ধমুখী বাজারেও ব্যাংকিং খাতের ১৪টি প্রতিষ্ঠানের মূল্য সংশোধন হয়েছে। এ খাতের ৩০টি কোম্পানির মধ্যে বাকি ১৬টি প্রতিষ্ঠানের দর বেড়েছে এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ১টির। অন্যদিকে আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর দর বৃদ্ধির ধারা অব্যাহত রয়েছে। এ খাতের ২১টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ১৪টির দর বেড়েছে, ৭টির কমেছে। ৪৪টি বীমা কোম্পানির মধ্যে ৪০টিরই দর বেড়েছে। এছাড়া সিমেন্ট, সিরামিক, বিদু্যত ও জ্বালানি, তথ্য-প্রযুক্তি ট্যানারি শিল্প এবং বস্ত্র খাতের অধিকাংশ কোম্পানির দর বেড়েছে। এছাড়া মিউচু্যয়াল ফান্ডসহ অন্যান্য খাতের লেনদেনে মিশ্র অবস্থা বিরাজ করে।
By Shah Kabir, Stock Analyst, DSE, CSE, LSE, NYSE. Email: s.anaym@yahoo.com

No comments:
Post a Comment